চলতি বছরের বাজেটে ইম্পোর্টেড পণ্যের উপর ট্যাক্স বাড়ানো হয়েছে।আগেই ধারণা করা হয়েছিলো এর প্রভাব পড়বে মোটরবাইকের মার্কেটে,এবং সেই ধারণা সত্যি হতে যাচ্ছে।গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে যে আসছে ঈদের আগেই বেড়ে যাবে বিখ্যাত কোম্পানি গুলোর বাইকের দাম।
এমনিতে প্রতি বছর ঈদের আগে বাইকের দাম কমে যায়,এবং সাথে নানারকম ছাড় চলতে থাকে বাইকের দামের উপর। তবে এই দাম নির্ভর করে আরোপিত ট্যাক্স এর উপর।চলতি ২০১৯-২০ বছরের বাজেটে CBU এবং CKD দুই ধরণের ইম্পোর্টেড বাইকের উপর ট্যাক্স বাড়ানো হয়েছে।


CBU(Complete Built Up) বলতে বোঝায় সেই ধরনের বাইক যেগুলো ফ্যাক্টরি থেকে পুরোপুরি এসেম্বল হয়ে আমাদের  দেশে আসে,মানে আস্ত বাইকটাই ডিরেক্ট আমাদের দেশে আসে।শুধু বাইকটা আনপ্যাক করে রাস্তায় নামানোর অপেক্ষা। CKD(Completely Knocked Down) বলতে বোঝায় এমন বাইক যেগুলো পার্টস আকারে আসে এবং আমাদের দেশে তা এসেম্বল বা জোড়া লাগানো হয়।এই পার্টসগুলো আমাদের দেশের ফ্যাক্টরিতে যেয়ে এসেম্বল হয় আর তারপর রাস্তায় চলার উপযোগী হয়।এভাবে বাইক আনা হয় মূলত খরচ এবং জায়গা বাচানোর জন্য।কম খরচে বেশি ইউনিট বাইক ইম্পোর্টের জন্য এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

এই দুই ধরনের বাইকের ট্যাক্স ই বেড়ে গিয়েছে।কোম্পানি গুলোর বাইক ইম্পোর্ট করতে তাই আরো বেশি খরচ হবে,আর এই অতিরিক্ত খরচ পোষানোর জন্য কোম্পানিগুলো বাইকের রিটেইল দাম বাড়িয়ে দিবে,এমনটাই হবে সামনে।অবশ্য দেশিয় বাইকের দাম কমে যাবে সামনে।

এমনিতেই আমাদের দেশে মোটরযানের উপর অনেক বেশি ট্যাক্স দেয়া লাগে।পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের তুলনায় তিন চার গুণ বেশি দাম দিয়ে আমরা বাইক কিনি।তারপর সেগুলো হয় মাত্র ১৫০ সিসির।এখন যদি এই ট্যাক্স আরো বাড়ানো হয়,তবে সেটা মোটেও সুখকর কিছু হবে না বাইক প্রেমীদের জন্য।
গুঞ্জন যাই হোক,আমাদের আশা থাকবে বাইকের দাম যেন আরো কমানো হয়,তবেই ঈদের খুশি আরো বহুগুণ বেড়ে যাবে।